Saturday, August 15, 2020
ঋণ
Sunday, July 5, 2020
Thursday, July 2, 2020
সুশান্ত
Tuesday, June 30, 2020
অজয় নদী
Sunday, May 10, 2020
আঠেরো তে পা
বাবার একটা সূর্য ছিল,
মনের কোণে স্বপ্ন শত,
ছোট্ট ছেলে নিজের তেজে,
কবির মতো হবেই খ্যাত।
মায়ের কোলের ছোট্ট সোনু,
বোঝেনি কেউ ধর্ম'রে তোর,
সোনার মত দেখতে হলেও,
আসলে তুই পরশপাথর।
দাদুর কাছে তিন বছরের,
স্কুল থেকে তুই ফিরতি ঘরে,
এখনও দাদু আঁকতে থাকে,
সে ছবিটাই বারে বারে।
ছোট্ট দাদার হাত ধরে যার,
ছোট্ট পায়ে হাঁটতে শেখা,
বাড়তে থাকা দাদার ছায়ায়,
তারও শুরু স্বপ্ন দেখা।
দিদার ছিল বাবুই পাখি,
ফুরুৎ করে উড়ত ঘরে,
সেই পাখিটা ঈগল সমান,
নীল আকাশে একলা ওড়ে।
সেই ছেলেটা আঠেরো আজ,
আকাশ তাকে দিচ্ছে ডাক,
ঝড়ের সাথে লড়াই করে,
বারেবারে তুই জিততে থাক।
Sunday, April 5, 2020
মহামারী
বসন্ত হসন্তের মত নগন্য আজ,
আছে কিন্তু নেই বা না থাকলেও হতো, আজকের এই নেই রাজ্যে।
আজ ফেসবুক জুড়ে পলাশের ছবি নেই,
সন্ধ্যের বাজারে চৈত্রসেলের ভিড় নেই,
শিল্পের প্রদর্শনী নেই, থেমে আছে শিলএর চাকা।
হঠাৎই কত লোকের চাকরি নেই,
রাস্তাঘাটে যানবাহন নেই, নেই স্টেশনে যাত্রীর ভিড়।
নেই ওষুধ, নেই খাদ্য, নেই শিক্ষার আবাহন,
নেই নেতাদের প্রতিশ্রুতি আর ধর্মের বিশ্বাস।
আর কিছুদিন পরে, আমরাও অনেকে নেই হয়ে যাব।
সবাই অপেক্ষায় আছে ঢেউয়ের প্রথম ধাক্কার।
একে একে সে, ও, অমুক - তারপর নাম নয়,
ক্রমিকেই হবে পরিচয়,
এগারো, উনিশ , একত্রিশ,
ধীরে ধীরে সংখ্যাও নগন্য হয়ে যাবে।
যে ভাবে মিছিলের ব্যাপ্তিতে ম্লান হয়ে যায় জনৈক উপস্থিতি।
ভালোভাবে বাঁচা নয়, শুধু বেঁচে থাকার প্রতিযোগিতায়,
নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে যাব ক্রমাগত, করুণ অবিশ্বাসে।
সামাজিক দূরত্বে বিবর্তিত হবে সামাজিক স্থিতি,
মুছে যাবে দেশ, বর্ণ, ধর্ম, বিত্তের সীমারেখা,
জীবনের বিনিময়ে অন্তেবাসী প্রাণোচ্ছাসে প্লাবিত হবে পৃথিবী।
তারপর বর্ষার আগমনে হয়তো বা পাল্টাবে পাশার দান,
বিবর্ণ প্রানের মাঝে জাগবে ঘুরে দাঁড়ানোর আশ্বাস,
যেভাবে দাবানলের ভষ্মস্তূপে মাথা তোলে সবুজ,
যুদ্ধের গ্লানি পেরিয়ে বেজে ওঠে জীবনের সঙ্গীত।
Thursday, March 26, 2020
সময়
আমি তখন কোণ খুজি সেই ভিড়ে,
সবাই যখন এগিয়ে যেতে চায়,
চাইছি আমি,সময় চলুক ধীরে।
সময় তখন বেজায় অবাধ্য,
ঘাড় গুজে এক কোনে বসে থাকে,
নড়ায় তাকে নেই কারো সাধ্য।
সময় ঘড়ি পাল তুলে দেয় ছুট,
ঘন্টা তখন মিনিটকে দেয় টেক্কা,
ভবিষ্যৎ মুহুর্তে হয় ভূত।
করছে যখন আমার সময় গ্রাস,
হটাৎ করে মৌতাতে দেয় বাঁধা,
দুঃসময়ের দারুণ অভিশাপ।
দেহের বয়স না চাইতে যায় বেড়ে,
ছোট্ট হয়ে থাকব, হোক না স্থবির দেহ,
যাচ্ছে যে যাক, যাকগে আমায় ছেড়ে।
বিজয়
অফিস থেকে ফেরার পরে,
চায়ের কাপ আর একলা আমি,
আমার সাথে একলা ঘরে।
ঘরে কিংবা ফোনের পাশে,
শীতঘুমেতে হারিয়ে আছো,
পলাশ ঘেরা ফাগুন মাসে।
শীর্ণ গাছের ক্লান্ত প্রাণ,
ওখানে বোধহয় আমের মুকুল,
ছড়িয়ে দিচ্ছে মিষ্টি ঘ্রাণ।
বসন্ত ঠিক আসবে ফিরে,
ভরসা রাখি, এলোমেলো পথ,
পেরিয়ে তুমি ফিরবে ঘরে।